সোমবার, ০২ অগাস্ট ২০২১, ০২:১০ পূর্বাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম :
১১ সন্তানের জনক সেজে উপবৃত্তির টাকা আত্মসাৎ করেছেন প্রধান শিক্ষক। কালের খবর জিজ্ঞাসাবাদে বেরিয়ে আসছে চাঞ্চল্যকর তথ্য হেলেনার ঘনিষ্ঠজনরা আতঙ্কে। কালের খবর কোটালীপাড়ায় অবৈধভাবে চলছে বালু উত্তোলনের মহোৎসব। কালের খবর ৪১তম বিসিএস প্রিলির ফল প্রকাশ। কালের খবর সখীপুরে ভাঙ্গা কালভার্টের ভোগান্তিতে কয়েক উপজেলার মানুষ। কালের খবর তাড়াশে শিক্ষক সালামের অনন্য মহতী উদ্যোগ। কালের খবর নবীনগরে কঠোর লকডাউন বাস্তবায়নে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা। কালের খবর দশমিনায় তিন সন্তানের জননীর রহস্যজনক মৃত্যু। কালের খবর নবীনগরের লাউর ফতেহপুরে অসহায় পরিবারকে ঘর দিলেন প্রবাসী ঐক্য সংগঠন। কালের খবর বোয়ালমারীতে দেড় যুগ দরে অন্ধকার কুয়ার মধ্যে শিকল বন্দি রবিউল। কালের খবর
লালমনিরহাট আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিস দালালদের হাতে জিম্মি, হয়রানীর শিকার পাসপোর্ট প্রার্থীরা। কালের খবর

লালমনিরহাট আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিস দালালদের হাতে জিম্মি, হয়রানীর শিকার পাসপোর্ট প্রার্থীরা। কালের খবর

লালমনিরহাট প্রতিনিধি, কালের খবর :
লালমনিরহাট আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসটি দালালদের হাতে জিম্মি, হচ্ছে পাসপোর্ট প্রার্থীরা হয়রানীর শিকার। অভিযোগে জানা গেছে,লালমনিরহাটে ২০১৩ সালে স্টেডিয়াম রোড সংলগ্ন আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসটি হওয়ার পর থেকেই স্থানীয় শাহ-আলম সহ দালাল চক্রের হাতে জিম্মি হয়ে পড়েছে পাসপোর্ট প্রার্থীরা।

সরেজমিনে গেলে মাইদুল ইসলাম সহ নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক পাসপোর্ট প্রার্থীরা জানান,ফরম জমাদানের সময় মাসুদ নামের একজন কর্মচারি বিভিন্ন তথ্য ভূলের অযুহাত দেখিয়ে প্রতি ফরমে ১ হাজার থেকে ১২’শত টাকা উৎকোচ দিতে হয়।ঐ পাসপোর্ট অফিসের কর্মচারীকে উৎকোচের টাকা না দিলে পাসপোর্ট প্রার্থীরা হয়রানির শিকার হয় মর্মে সোমবার সাংবাদিকদের জানান। এ উৎকোচের টাকা গ্রহনকারী হিসেবে স্থানীয় শাহ আলম গং নামের দালাল নিয়োগ করা রয়েছে বলে একাধিক ব্যাক্তি জানান।

পাসপোর্ট অফিস আঞ্চলিক কার্যালয় লালমনিরহাটের উপ-সহকারী পরিচালক এ কে এম মোতাহার হোসেন জানান, ২০১৮ ও ২০১৯ ইং সালের ফেব্রুয়ারী মাস পর্যন্ত ৭ হাজার ১শত ৯ জন পাসপোর্ট করেছে।আর তথ্য গোপন করায় প্রায় ২৫০ জনের পাসপোর্ট আটকা পড়েছে।মিথ্যা তথ্য দানকারীদের বিরুদ্ধে আইনগত পদক্ষেপ নেয়ার কথা থাকলেও পাসপোর্ট অফিসের ক্ষেত্রে আইনের কোনো প্রয়োগ নেই বলে সংশ্লিষ্ঠ কর্মকর্তা মন্তব্য করেন।

তবে অভিযোগে জানা যায়,পাসপোর্ট অফিসটি লালমনিরহাটে স্থাপিত হওয়ার পর থেকে কতিপয় দালালচক্র সরকারি ফি বাবদ অতিরিক্ত উৎকোচ নিয়ে অফিসটি দালালদের হাতে জিম্মি দশায় পরিণত করেছে। সূত্র জানান, সাধারন পাসপোর্ট ফি ৩ হাজার ৪শত ও আর্জেন্ট পাসপোর্ট ফি ৬ হাজার ৯ শত টাকা সরকারী ফি বাদে অতিরিক্ত উৎকোচ দিতে হচ্ছে পাসপোর্ট প্রার্থীদের।

এমন ঘুষ দুর্নীতির ব্যাপারে উপ সহকারী পরিচালক এ কে এম মোতাহার হোসেনের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি ওই সকল অভিযোগ অস্বীকার করেন। এমতাবস্থায় সাধারন জনগন দূর্নীতি দমন কমিশনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

দৈনিক কালের খবর নিয়মিত পড়ুন এবং বিজ্ঞাপন দিন..

কালের খবর মিডিয়া গ্রুপ লিমিটেডের একটি প্রতিষ্ঠান
Desing & Developed BY ThemesBazar.Com