সোমবার, ২৬ জুলাই ২০২১, ০২:২৪ অপরাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম :
মুন্সীগঞ্জ লৌহজংবাসী পদ্মার রাক্ষুসে থাবায় দিশেহারা। কালের খবর তাড়াশে মহেশরৌহালী গ্রামের প্রাথমিক বিদ‍্যালয়ের বেহাল দশা। কালের খবর মেঘনার অস্বাভাবিক জোয়ারে ডুবেছে গ্রামের পর গ্রাম। কালের খবর সাংবাদিকরা পারে ক্ষমতাহীনদের ক্ষমতাবান করতে : তথ্যমন্ত্রী। কালের খবর নবীনগর আঞ্চলিক কথা গ্রুপের উদ্যোগে দুটি অসহায় পরিবারের মাঝে আর্থিক সহযোগিতা প্রদান। কালের খবর সখীপুরে গরুর লাথি খেয়ে আহত ১৩ জন হাসপাতালে। কালের খবর মেয়ের শ্বশুরবাড়ি ট্রাকভর্তি উপহার পাঠিয়ে চমকে দিলেন বাবা। কালের খবর জীবন অগাধ : আলাউদ্দিন খাঁর বড় ছেলে। কালের খবর তিন দিনে ৮ কোটি টাকার টোল আদায় বঙ্গবন্ধু সেতুতে। কালের খবর শোক সংবাদ : জয়দেব সূত্রধর আর নেই। কালের খবর
হাকিমপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে জনবল সংকট, চিকিৎসা সেবা ব্যাহত। কালের খবর

হাকিমপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে জনবল সংকট, চিকিৎসা সেবা ব্যাহত। কালের খবর

হিলি (দিনাজপুর) প্রতিনিধি, কালের খবর :

জনবল সংকটের কারনে দিনাজপুরের হাকিমপুর উপজেলার ৫০ শয্যা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটিতে চিকিৎসা সেবা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। ফলে প্রত্যাশিত সেবা না পাওয়ায় রোগীরা ভর্তি না হয়ে ফিরে যাচ্ছে। চিকিৎসক সংকটের কারণে দুই লাখেরও বেশী জনসংখ্যা অধ্যুষিত হাকিমপুর উপজেলা ও পার্শ্ববর্তী উপজেলাসহ অন্তত ৪ লাখেরও বেশী জনসংখ্যা চিকিৎসা সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।

উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, এলাকার জনসাধারণের চিকিৎসা সেবা প্রদানের লক্ষে ১৯৮৬ সালে ৩ ফেব্রুয়ারিতে ৩১ শয্যা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটি প্রতিষ্ঠা করা হয়। পরবর্তীতে ২০১৩ সালের ২২ অক্টম্বরে ৫০ শয্যার হাসপাতালে উন্নীত করা হয়। কিন্তু কাঙ্খিত জনবল না থাকায় সেবা প্রদানে মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ১৩ জন বিশেষজ্ঞ ডাক্তার থাকার কথা থাকলেও রয়েছে মাত্র ২ জন। ফার্মাসিষ্ট দুটি পদই ফাঁকা রয়েছে। নেই স্টোর কিপার ও ইলেট্রিশিয়ান। জুনিয়র কনসালটেন্ট ৮ জন থাকার কথা থাকলেও আছে মাত্র ৩ জন তাও আবার তারা প্রেষণে বিভিন্ন হাসপাতালে কর্মরত আছেন।

এছাড়াও একটি মাত্র এ্যাম্বুলেন্স গত বছরের জুলাই মাসে পরিত্যাক্ত ঘোষণা করা হলেও এখন পর্যন্ত নতুন অ্যাম্বুলেন্স দেয়া হয়নি। নেই আলট্রাসনোগ্রাম ও ইসিজি মেশিন। এতে রোগীদের বাইরের ক্লিনিক থেনে আলট্রাসনোগ্রাম ও ইসিজি করতে হচ্ছে। এক্স-রে মেশিন অপারেটন আব্দুল্লাহ ইবনে ওহাব জানান, এক্স-রে মেশিনটি প্রায় অকেজো তাই অনুমানের উপর রিপোর্ট দিতে হয়।

কথা হয় বর্হিবিভাগে চিকিৎসা সেবা নিতে আসা উপজেলার সাধুরিয়া গ্রামের মমিন হোসেন এবং নওপাড়া গ্রামের আনিছুর রহমানের সাথে তারা বলেন মাত্র একজন ডাক্তার রোগী দেখছেন এতে ঘন্টার পর ঘন্টা লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে হচ্ছে। হাকিমপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ভারপ্রাপ্ত আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) সাকিল মাহমুদ বলেন, প্রতিদিন ইনডোর এবং আউটডোর মিলে ৪’শ থেকে ৫’ রোগী দেখতে হচ্ছে। এতে আমাদের দু’জন ডাক্তারের পক্ষে খুব কষ্ট হচ্ছে। তিনি আরো বলেন, আমাদের অত্যাধুনিক ওটি (অপারেশন থিয়েটর) থাকা সত্তেও সার্জারী ও এ্যানেস্থেসিয়া ডাক্তার না থাকায় কোন অপারেশন করা যাচ্ছেনা। আপনা এ ব্যাপারে লেখা লেখি করেন তাহলে হয়ত সমস্যা সমাধান হবে।

এ ব্যাপারে হাকিমপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা আব্দুর জব্বার জানান, জনবল সংকটের বিষয়টি নিয়তিম স্বাস্থ্য বিভাগে অবগত করা হচ্ছে। তবে জানতে পেরেছি খুব শিখ্রই আরো ৬ জন ডাক্তার এখানে দেয়া হবে।

দৈনিক কালের খবর নিয়মিত পড়ুন এবং বিজ্ঞাপন দিন..

কালের খবর মিডিয়া গ্রুপ লিমিটেডের একটি প্রতিষ্ঠান
Desing & Developed BY ThemesBazar.Com