শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬, ১২:১৭ পূর্বাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম :
মাটিরাঙ্গায় ধলিয়া খালে বিলীন বসতঘর ; প্রশাস‌নের ত্রান ‌বিতরণ। কালের খবর জুলাইয়ের রক্তাক্ত স্মৃতিকে ধারণ করে ‘৩৬ জুলাই’ পত্রিকার আত্মপ্রকাশ। কালের খবর কাঁচা রাস্তা ধানক্ষেত-জঙ্গল পেরিয়ে যা দেখলেন প্রধানমন্ত্রী। কালের খবর রাঙ্গামাটি পার্বত্য এলাকার নারীদের আত্মনির্ভরশীল করতে বাঘাইহাট জোনের সেলাই প্রশিক্ষণের উদ্বোধন। কালের খবর সত্যের মঞ্চ না রাজনৈতিক অঙ্গন? সাংবাদিকতা ও রাজনীতির সীমারেখা নিয়ে নতুন বৈশ্বিক ভাবনা। কালের খবর ঢাকা দক্ষিণ সিটি নতুন ওয়ার্ডগুলোয় মশার রাজত্ব, অতিষ্ঠ বাসিন্দারা। কালের খবর নবীনগরে গোলাগুলির ঘটনায় নিখোঁজ রিফাতের লাশ উদ্ধার। কালের খবর মাটিরাঙ্গায় ওয়াদুদ ভুইয়া এমপি’র সহায়তায় সিদ্ধ চাল পেল গুচ্ছগ্রামের কার্ডধারীরা। কালের খবর দুর্গম পাহাড়ে নওমুসলিমদের পাশে সার্বভৌমত্ব সুরক্ষা পরিষদ। কালের খবর মুন্সিগঞ্জের শ্রীনগরে জার্নালিস্ট ফারুক নগর ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে “ফারুকজি ফুড গার্ডেন”-২-এ বৃক্ষরোপণ। কালের খবর
হাকিমপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে জনবল সংকট, চিকিৎসা সেবা ব্যাহত। কালের খবর

হাকিমপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে জনবল সংকট, চিকিৎসা সেবা ব্যাহত। কালের খবর

হিলি (দিনাজপুর) প্রতিনিধি, কালের খবর :

জনবল সংকটের কারনে দিনাজপুরের হাকিমপুর উপজেলার ৫০ শয্যা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটিতে চিকিৎসা সেবা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। ফলে প্রত্যাশিত সেবা না পাওয়ায় রোগীরা ভর্তি না হয়ে ফিরে যাচ্ছে। চিকিৎসক সংকটের কারণে দুই লাখেরও বেশী জনসংখ্যা অধ্যুষিত হাকিমপুর উপজেলা ও পার্শ্ববর্তী উপজেলাসহ অন্তত ৪ লাখেরও বেশী জনসংখ্যা চিকিৎসা সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।

উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, এলাকার জনসাধারণের চিকিৎসা সেবা প্রদানের লক্ষে ১৯৮৬ সালে ৩ ফেব্রুয়ারিতে ৩১ শয্যা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটি প্রতিষ্ঠা করা হয়। পরবর্তীতে ২০১৩ সালের ২২ অক্টম্বরে ৫০ শয্যার হাসপাতালে উন্নীত করা হয়। কিন্তু কাঙ্খিত জনবল না থাকায় সেবা প্রদানে মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ১৩ জন বিশেষজ্ঞ ডাক্তার থাকার কথা থাকলেও রয়েছে মাত্র ২ জন। ফার্মাসিষ্ট দুটি পদই ফাঁকা রয়েছে। নেই স্টোর কিপার ও ইলেট্রিশিয়ান। জুনিয়র কনসালটেন্ট ৮ জন থাকার কথা থাকলেও আছে মাত্র ৩ জন তাও আবার তারা প্রেষণে বিভিন্ন হাসপাতালে কর্মরত আছেন।

এছাড়াও একটি মাত্র এ্যাম্বুলেন্স গত বছরের জুলাই মাসে পরিত্যাক্ত ঘোষণা করা হলেও এখন পর্যন্ত নতুন অ্যাম্বুলেন্স দেয়া হয়নি। নেই আলট্রাসনোগ্রাম ও ইসিজি মেশিন। এতে রোগীদের বাইরের ক্লিনিক থেনে আলট্রাসনোগ্রাম ও ইসিজি করতে হচ্ছে। এক্স-রে মেশিন অপারেটন আব্দুল্লাহ ইবনে ওহাব জানান, এক্স-রে মেশিনটি প্রায় অকেজো তাই অনুমানের উপর রিপোর্ট দিতে হয়।

কথা হয় বর্হিবিভাগে চিকিৎসা সেবা নিতে আসা উপজেলার সাধুরিয়া গ্রামের মমিন হোসেন এবং নওপাড়া গ্রামের আনিছুর রহমানের সাথে তারা বলেন মাত্র একজন ডাক্তার রোগী দেখছেন এতে ঘন্টার পর ঘন্টা লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে হচ্ছে। হাকিমপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ভারপ্রাপ্ত আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) সাকিল মাহমুদ বলেন, প্রতিদিন ইনডোর এবং আউটডোর মিলে ৪’শ থেকে ৫’ রোগী দেখতে হচ্ছে। এতে আমাদের দু’জন ডাক্তারের পক্ষে খুব কষ্ট হচ্ছে। তিনি আরো বলেন, আমাদের অত্যাধুনিক ওটি (অপারেশন থিয়েটর) থাকা সত্তেও সার্জারী ও এ্যানেস্থেসিয়া ডাক্তার না থাকায় কোন অপারেশন করা যাচ্ছেনা। আপনা এ ব্যাপারে লেখা লেখি করেন তাহলে হয়ত সমস্যা সমাধান হবে।

এ ব্যাপারে হাকিমপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা আব্দুর জব্বার জানান, জনবল সংকটের বিষয়টি নিয়তিম স্বাস্থ্য বিভাগে অবগত করা হচ্ছে। তবে জানতে পেরেছি খুব শিখ্রই আরো ৬ জন ডাক্তার এখানে দেয়া হবে।

দৈনিক কালের খবর নিয়মিত পড়ুন এবং বিজ্ঞাপন দিন..

কালের খবর মিডিয়া গ্রুপ লিমিটেডের একটি প্রতিষ্ঠান
Desing & Developed BY ThemesBazar.Com