বুধবার, ১৮ মার্চ ২০২৬, ১২:০৬ অপরাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম :
খুচরা জ্বালানি তেলের চারটি পয়েন্ট বন্ধ হয়ে যাওয়ায় সাজেকে কোন ধরনের জ্বালানি তেল পাওয়া যাচ্ছে না। কালের খবর ডেমরায় বাংলাদেশ মাদ্রাসা জেনারেল টিচার্স অ্যাসোসিয়েশনের ইফতার সামগ্রী বিতরণ। কালের খবর সাজেক ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি নিজ উদ্যোগে কর্মীদের মাঝে বিতরণ করেন পাঞ্জাবি । কালের খবর রমজানের তাৎপর্য তুলে ধরে ইপিজেডে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী তাঁতীদল শাখার দোয়া মাহফিল ও ইফতার। কালের খবর সাংবাদিক সংগঠনগুলোর ঐক্যে জাতীয় জোট এ্যাবজা পুনর্গঠনের উদ্যোগ। কালের খবর পার্বত্য প্রতিমন্ত্রীর বিরুদ্ধে কথিত পাহাড়িদের ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে পিসিএনপির সংবাদ সম্মেলন। কালের খবর লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে যুবদল নেতা হত্যার প্রধান আসামি আরমান গ্রেপ্তার। কালের খবর দৈনিক দিন প্রতিদিন পত্রিকার উদ্যোগে ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত। কালের খবর ৭ মার্চের কারাবাস : একটি রাত, একটি রাষ্ট্র, এবং ক্ষমতার দীর্ঘ ভূরাজনীতি। কালের খবর ইরান–আমেরিকা সংঘাত: মধ্যপ্রাচ্যের আগুন কি তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের দিকে এগোচ্ছে?। কালের খবর
রায়পুরে পান চাষে উজ্জ্বল সম্ভাবনা, বছরে ৬০ কোটি টাকা লেনদেন

রায়পুরে পান চাষে উজ্জ্বল সম্ভাবনা, বছরে ৬০ কোটি টাকা লেনদেন

লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি, কালের খবর :

লক্ষ্মীপুরের রায়পুর উপজেলায় বছরে পানের প্রায় ৬০ কোটি টাকার লেনদেন হয়। এ পান জেলার চাহিদা মিটিয়ে ঢাকা, কুমিল্লা, ফেনী ও নোয়াখালীসহ বিভিন্ন স্থানে সরবরাহ হচ্ছে।

এ অঞ্চলে বাণিজ্যিকভাবে পান চাষ হলে খুলে দিতে পারে অর্থনৈতিক উন্নয়নের দ্বার। প্রতি শনি, রবিবার, বুধবার, বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার লক্ষ্মীপুরের সবচেয়ে বড় পান বাজার বসে হায়দরগঞ্জ, ক্যাম্পেরহাট ও রায়পুর বাজার এলাকায়। বিভিন্ন জেলা থেকে আসা ব্যবসায়ীরা আগের রাত থেকে হায়দরগঞ্জ, ক্যাম্পেরহাট ও রায়পুর বাজারে আসতে থাকেন। বাজারের দিন ব্যবসায়ীরা চাহিদামত পান সংগ্রহ করেন।
উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, রায়পুরে ৪৮০ হেক্টর জমিতে পান চাষ হয়। উৎপাদন খরচ হয় প্রায় আড়াই লাখ টাকা। বর্তমান বাজারে ভালোমানের প্রতি বিড়া পান বিক্রি হয় ২২০-২৫০ টাকায়। এ হিসেবে রায়পুরে প্রায় ৪৫ কোটি টাকার পান উৎপাদন হয়। তবে বেসরকারী হিসেবে পানের উৎপাদন হয় প্রায় ৫৫ থেকে ৬০ কোটি টাকার।

উপজেলার উত্তর চর আবাবিল, দক্ষিণ চর আবাবিল, উত্তর চরবংশী ও দক্ষিণ চরবংশী ইউনিয়নে পানের আবাদ বেশি হয়।
‘পানপল্লী’ খ্যাত ক্যাম্পেরহাট এলাকার পান চাষীরা জানান, বৈশাখ থেকে অগ্রহায়ন মাস পর্যন্ত পানের উৎপাদন ভালো হয়। এ সময় উৎপাদিত পানের সাইজও বড় হয়। অতি শীত, ঘন কুয়াশা ও ক্ষেতে পানি জমে থাকলে পানের বরজ নষ্ট হয়ে যায়। একটি বরজ ১০ থেকে ২৫ বছর পর্যন্ত স্থায়ী হয়। তবে মাঝে মধ্যে সংস্কার করতে হয়। এছাড়াও বর্তমানে সার ও কীটনাশকের দাম বেশি হওয়ায় পানের বরজের আবাদ কমে আসছে। শুষ্ক মৌসুমে বৃষ্টি না থাকায় পানি সেচ দিয়েও পান গাছ রক্ষা করা যায় না।
উপজেলার হায়দরগঞ্জ সোনালী ব্যাংক শাখার ব্যবস্থাপক মোহাম্মদ সাকায়েত উল্যাহ্ বলেন, পান এ অঞ্চলের মানুষের অর্থকারী ফসল। বাণিজ্যিকভাবে পান চাষ করলে এসব এলাকার মানুষের ভাগ্যে বদলে যাবে। বিভিন্ন ব্যাংক পান চাষের উপর কৃষকদের সহজ শর্তে ঋণ দিলে এ অঞ্চলের মানুষ পান চাষে আরো বেশি আগ্রহী হয়ে উঠবে।

কালের খবর /১১ ফেব্রুয়ারি ২০১৮

দৈনিক কালের খবর নিয়মিত পড়ুন এবং বিজ্ঞাপন দিন..

কালের খবর মিডিয়া গ্রুপ লিমিটেডের একটি প্রতিষ্ঠান
Desing & Developed BY ThemesBazar.Com