শনিবার, ২৮ মার্চ ২০২৬, ১১:০৭ পূর্বাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম :
চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মীর হেলাল উদ্দিন ভূমি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পাওয়ায় সার্বভৌমত্ব সুরক্ষা পরিষদের অভিনন্দন। কালের খবর নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধভাবে জনগণের প্রত্যাশা পূরণে কাজ করতে হবে….এমএন আবছার। কালের খবর মাটিরাঙ্গায় সেনাবাহিনীর ঈদ সহায়তা বিতরণ। কালের খবর মাটিরাঙ্গায় প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে ঈদ উপহার বিতরণ। কালের খবর পাহাড়ে খ্রিস্টান মিশনারির তৎপরতা : পিছিয়ে পড়ছে নওমুসলিমগণ। কালের খবর জেলা পরিষদের কার্যক্রম মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে চাই : অধ্যাপক মামুন মাহমুদ। কালের খবর খুচরা জ্বালানি তেলের চারটি পয়েন্ট বন্ধ হয়ে যাওয়ায় সাজেকে কোন ধরনের জ্বালানি তেল পাওয়া যাচ্ছে না। কালের খবর ডেমরায় বাংলাদেশ মাদ্রাসা জেনারেল টিচার্স অ্যাসোসিয়েশনের ইফতার সামগ্রী বিতরণ। কালের খবর সাজেক ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি নিজ উদ্যোগে কর্মীদের মাঝে বিতরণ করেন পাঞ্জাবি । কালের খবর রমজানের তাৎপর্য তুলে ধরে ইপিজেডে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী তাঁতীদল শাখার দোয়া মাহফিল ও ইফতার। কালের খবর
আসমা ১৯ বছর পর খুঁজে পেলেন বাবা-মা ভাইবোন। কালের খবর

আসমা ১৯ বছর পর খুঁজে পেলেন বাবা-মা ভাইবোন। কালের খবর

 রোববার সকাল ১০টায় আসমা ও তার তিন বছরের মেয়েকে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর থেকে আসা মা, বোন ও চাচার হাতে আনুষ্ঠানিকভাবে তুলে দেন নোয়াখালী পৌরসভার মেয়র শহীদুল্লাহ খান সোহেল ও নোয়াখালী সমাজসেবা অধিদফতরের উপ-পরিচালক সাইফুল ইসলাম চৌধুরী।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ সাংবাদিক সমিতি-বাসাসের মহাসচিব মনিরুজ্জামান চৌধুরী, পৌরসভার কাউন্সিলর ও সাংবাদিকরা।

অনুষ্ঠানে আসমার বোন রানু বেগম জানান, ২০০১ সালে তারা তিন ভাই তিন বোন মায়ের সঙ্গে চট্টগ্রামের চাঁনগায়ে মামার বাসায় বেড়াতে যায়। পরদিন তারা শহরে বেড়াতে বের হয়। হঠাৎ ভিড়ের মধ্যে তার ছয় বছরের বোন আসমা হারিয়ে যায়। কয়েক দিন ধরে অনেক খোঁজখবর নিয়ে না পেয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় গ্রামের বাড়িতে ফিরে যান সবাই। ১৯ বছর পর তারা তাদের হারানো বোনকে নোয়াখালীতে ফিরে পেয়েছেন। রানু বেগম তার বোনকে যারা লালনপালন করে বড় করে বিয়ে দিয়েছেন তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

আসমা বলেন, আমার মা-বাবার মতো যারা আমাকে লালনপালন করেছেন তারাও আমার মা-বাবা; আমি কোনোদিন তাদের ভুলতে পারব না। আমি তাদের সঙ্গেও যোগাযোগ রাখব। আমার বিশ্বাস তারাও আমাকে ভুলবেন না।

 আসমাকে পালনকারী টিএন্ডটির অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ফরহাদ হোসেন দম্পতি এ সময় আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন। ফরহাদের স্ত্রী জহুরা আবেগাপ্লুত কণ্ঠে বলেন, ১৩ বছর আগে এক ভদ্রলোক আসমাকে এনে তার বাসায় দেন। সেই থেকে মেয়ের মতো তাকে লালনপালন করে বড় করেছেন। তিনি নোয়াখালী ইউএনবির সাংবাদিক মেজবাহউল মিঠু ও ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সাংবাদিক আরজু মিয়ার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

দৈনিক কালের খবর নিয়মিত পড়ুন এবং বিজ্ঞাপন দিন..

কালের খবর মিডিয়া গ্রুপ লিমিটেডের একটি প্রতিষ্ঠান
Desing & Developed BY ThemesBazar.Com