শনিবার, ০১ অক্টোবর ২০২২, ০৪:৩৪ পূর্বাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম :
বগুড়ার শেরপুরে আওয়ামী লীগ নেতা অভিকে কুপিয়ে হত্যা। কালের খবর শাহজাদপুরে সাফ বিজয়ী আঁখি খাতুনকে সংবর্ধনা। কালের খবর টাকায় ঘোরে যশোর সদর হাসপাতালের ট্রলি ও হুইল চেয়ার। কালের খবর রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রধানমন্ত্রীর ৭৬তম জন্মদিন উদযাপন। কালের খবর শ্রমিক নেতার আড়ালে মাদকের কারবার : আটক ৩। সখীপুরে ঘরের বেড়া কেটে স্বর্ণালংকারসহ নগদ টাকা চুরি। কালের খবর সকল অশুরী শক্তিকে উৎখাত করে আমাদের কে এগিয়ে যেতে হবে : রনজিৎ কুমার রায় (এমপি)। কালের খবর শেখ হাসিনার জন্মদিনে বৃক্ষরোপণ করেছে সামসুল হক খান স্কুল অ্যান্ড কলেজ। কালের খবর সোনারগাঁয়ে সড়ক নির্মাণ কাজে অনিয়মের অভিযোগ। কালের খবর কে এই জাকির চেয়ারম্যান! এমপি-পুলিশের টাকার রক্ষক এখন ভক্ষক। কালের খবর
সখীপুরে পরকীয়া জেরে চাচীকে বিয়ে। কালের খবর

সখীপুরে পরকীয়া জেরে চাচীকে বিয়ে। কালের খবর

আহমেদ সাজু, টাঙ্গাইল সখীপুর, কালের খবর : দীর্ঘদিনের পরকীয়ার অবআহমেদসান ঘটিয়ে অবশেষে চাচার দুই সন্তানসহ স্কুল শিক্ষক চাচী রহিমা আক্তার রুমাকে (৩৫) বিয়ে করলেন বহুরিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শরীফুল ইসলাম। উপজেলার কালিদাস পানাউল্লাহপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিজের স্ত্রী সন্তান থাকতেও চাচার কাছ থেকে চাচীকে ভাগিয়ে নিয়ে দুই সন্তানসহ বিয়ে করায় বিষয়টি রাজনৈতিক মহল,এলাকাবাসী ও চায়ের দোকানে দোকানে এখন গল্পশল্পের খোরাক হয়ে দাড়িয়েছে।

জানা যায়, ১৯৯৮ সালে উপজেলার কালিদাস পানাউল্লাহপাড়া গ্রামের রাইজ উদ্দিনের ছেলে ইমান আলীর সাথে নলুয়া মোল্লাপাড়া গ্রামের আমির মোল্লার মেয়ে রহিমা আক্তার রুমার বিয়ে হয়। বিয়ের কয়েক বছর পরই ভাসুর হাজী আবদুল ছবুর মুন্সীর ছেলে আওয়ামী লীগ নেতা শরিফুল ইসলামের সঙ্গে পরকীয়ায় জড়িয়ে পড়েন রহিমা। এর ফলে দিনদিন রহিমা তার স্বামী ইমান আলীর সাথে দূরত্ব সৃষ্টি করতে থাকে। এক পর্যায়ে বিষয়টি সারা গ্রামে ছড়িয়ে পড়লে শরিফকে এ পথ থেকে ফেরাতে তার পরিবার ২০১৭ সালে বাসাইলের ময়থা গ্রামের বিয়ে করান। এতেও শরীফ আর রহিমা সম্পর্ক ছেদ পড়েনি। অবশেষে ২০১৯ সালে চাচীকে দিয়ে চাচাকে ডিভোর্স করান শরীফুল। অবশেষে দুই পরিবারের সমঝোতায় গেল সপ্তাহে বিয়ের মাধ্যমে ভাতিজা শরীফুল ইসলাম ও চাচী রহিমা আক্তার রুমির দেড় যুগের পরকীয়ার অবসান ঘটলো। সত্যতা প্রমাণে চাচী রহিমা ও তার ভাই আনোয়ার মোল্লার মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তারা উভয়ই বিয়ে হওয়ার সত্যতা স্বীকার করেন।

এ ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি রফিকুল ইসলাম বলেন, শরিফুল ও রহিমার পরিবারের সমঝোতার মাধ্যমে এ বিয়েটি সম্পন্ন করা হয়েছে এবং তা শরিফের বর্তমান স্ত্রীও মেনে নিয়েছে।

বহুরিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান গোলাম কিবরিয়া সেলিম বলেন, নিজের স্ত্রী সন্তান থাকার পরও সমাজে নেতৃত্বদানকারী ব্যক্তি হয়ে শরিফুল ইসলামের এরকম একটি কাজ করা ঠিক হয়নি।

রহিমার পূর্বের স্বামী ইমান বলেন, শরিফ আমার ভাতিজা হয়ে আমার সুখের সংসার জ্বালিয়ে পুড়িয়ে ছাড়খার করে দিয়েছে।আমার ভাতিজা হয়ে এতো বড় ক্ষতি করল আমি বিচার চাই।

দৈনিক কালের খবর নিয়মিত পড়ুন এবং বিজ্ঞাপন দিন..

কালের খবর মিডিয়া গ্রুপ লিমিটেডের একটি প্রতিষ্ঠান
Desing & Developed BY ThemesBazar.Com