বৃহস্পতিবার, ০৮ ডিসেম্বর ২০২২, ০৪:১১ পূর্বাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম :
বাঘারপাড়ায় আমন ধানের চিটা বেশি – ভোলায় ভূমিহীন নেত্রী বকুল হত্যা এবং পুলিশ কর্তৃক মামলা গ্রহন না করার প্রতিবাদে নাগরিক সমাজের সংবাদ সম্মেলন। কালের খবর কুষ্টিয়ায় অবৈধ ভেজাল গুড় তৈরি কারখানায় অভিযানে জেল-জরিমানা। কালের খবর যশোরের মাটিতেই প্রথম উড়েছিল স্বাধীন বাংলাদেশের পতাকা। কালের খবর শাহজাদপুরে মহান বিজয় দিবস উদযাপন উপলক্ষে প্রস্তুতিমুলক সভা। কালের খবর আগামীকাল ছাত্রলীগের সম্মেলন: অনূর্ধ্ব ২৯ বছরেই বন্ধি ছাত্রলীগ বিতর্কমুক্ত ছাত্রলীগের কমিটি উপহার চলন বিলে পানি যাওয়ার সাথে সাথে আমন কেটেই জমিতে সরিষা বুনছেন কৃষক। কালের খবর নজু মুন্সির বাড়ীতে বেআইনিভাবে হাতে আগ্নেয়াস্ত্রসহ বসতঘরে অনধিকার প্রবেশ করে অতর্কিত হামলা চালায় সন্ত্রাসীরা। কালের খবর স্বাধীনতা বিরোধী শক্তির অপতৎপরতা প্রতিরোধে এবার মাঠে নামছে আওয়ামী মুক্তিযুদ্ধ প্রজন্ম লীগ। কালের খবর সখীপুরে হায়দার মাস্টার স্মৃতি ফুটবল টুর্নান্টের ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত। কালের খবর
এস,আইর বিরুদ্ধে পরকিয়ার অভিযোগ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন

এস,আইর বিরুদ্ধে পরকিয়ার অভিযোগ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন

নারায়ণগঞ্জ প্রতিবেদক : সঠিক তথ্য দিয়ে মিথ্যার অবশান ঘটালেন ফতুল্লা মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ কামাল উদ্দিন ও তার তদন্ত টীমের তদন্ত রিপোর্ট এমনটাই দাবী পুলিশ ও এলাকাবাসীর। ফতুল্লার মডেল থানার এস,আই সাইফুর রহমানের বিরুদ্ধে সোর্স জাকিরের স্ত্রী সীমা আক্তার খোতেজা কে জড়িয়ে পরকিয়ার অভিযোগটি মিথ্যা ও ভিত্তিহীন প্রমান করেন অভিযোগের তদন্তকারী অফিসার ফতুল্লা মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মো. কামাল উদ্দিন।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারী রাত সাড়ে সাতটায় সাংবাদিকের সাথে মতবিনিময় করেন অফিসার ইনচার্জ কামাল উদ্দিন। এ সময় নারায়ণগঞ্জসহ ফতুল্লার সকল সাংবাদিক উপস্থিত ছিলেন। তদন্তে বেরিয়ে আসে সোর্স জাকির কথিত স্ত্রী সীমাকে দিয়ে পুলিশের বিভিন্ন দারাগোদের বিরুদ্ধে মিথ্যা হয়রানি করে অর্থ কামানোর অভিযোগ উঠে। সোর্স জাকির নারায়ণগঞ্জ জেলা ডিবি‘র সাবেক এস,আই সেলিম মিয়া, ফতুল্লা থানার এস,আই, মিজানুর রহমান -২, এ,এস,আই কামরুল হাসান বর্তমান কর্মরত এস,আই শাফিউল আলম খানের বিরুদ্ধেও সে প্রতারনার করে সীমাকে ব্যবহার করে মিথ্যা অপবাদ দিয়ে টাকা কামানোর চেষ্টা চালায়। এতে সীমা রাজি না থাকায় তার সাথে দ্বন্দের সূত্রপাত শুরু হয়।

সোর্স জাকিরের কথিত স্ত্রী সীমা সাংবাদিকদের সামনে স্ব-শরীরে উপস্থিত ছিলেন। তখন তার শ্বাশুড়ি ও একমাত্র সন্তান সাগর (১২) উপস্থিত ছিলেন। সীমার বিরুদ্ধে মিথ্যা কুৎসা রচনা করারও প্রতিবাদ জানান এবং জাকিরের বিরুদ্ধে ফতুল্লা মডেল থানায় একটি সাধারন ডায়রি(জিডি) করেছে। জিডি নং-১৪২০ তাং ২৮/২/১৮ইং। নিম্মে জিডি‘র মাধ্যমে সীমার বক্তব্য হুবাহু তুলে ধরা হলো।

যথাবিহীত সম্মান প্রদর্শন পূর্বক বিনীত নিবেদন এই যে, আমি সীমা আক্তার খতেজা (৩০), স্বামী- মোঃ হেলাল, সাং- দাপা ইদ্রাকপুর খোঁজ পাড়া, থানা- ফতুল্লা, জেলা- নারায়ণগঞ্জ থানায় হাজির হইয়া বিবাদী ১। জাকির হোসেন (৩৫), পিতা- মৃত মোঃ হানিফ মিয়া, সাং- দাপা ইদ্রাকপুর, থানা- ফতুল্লা, জেলা- নারায়ণগঞ্জ সহ অজ্ঞাতনামা ২/৩ জনের বিরুদ্ধে এই মর্মে সাধারণ ডায়েরীর আবেদন করিতেছি যে, আমি বিগত ১৪ বৎসর পূর্বে বর্ণিত হেলালের সহিত ইসলামী শরিয়ত মোতাবেক আমার বিবাহ হয়। গত ০২ বৎসর পূর্বে বিবাদী জাকিরের প্ররোচনায় আমার স্বামী মাদকাসক্ত হইয়া পড়ে। ইহার এক পর্যায়ে ২০১৬ সালের শেষের দিকে আমার স্বামী মাদক সহ পুলিশের নিকট গ্রেফতার হলে পুলিশ তাকে কোর্টে প্রেরণ করিলে কোর্ট তাহাকে জেল হাজতে প্রেরণ করে।

আমার স্বামীর অনুপস্থিতিতে বিবাদী জাকির আমার বাসায় প্রায়ই যাতায়াত করিত। যাতায়াতের এক পর্যায়ে বিবাদী আমার স্বামীকে মামলা হইতে বাচাইয়া দেওয়ার জন্য বিভিন্ন কৌশল অবলম্বন করিয়া আমার সহিত প্রেমের সম্পর্ক গড়িয়া তোলে। বিবাদী জাকির ইং ১০/০৪/২০১৭ তারিখ সকাল অনুমান ০৮.০০ ঘটিকার সময় আমাকে ফোন করিয়া জানায় যে, আজকে তোমার স্বামী হেলালের জামিন হইবে, তুমি কোর্টে আস। আমি বিবাদীর কথায় বিশ্বাস স্থাপন করিয়া একই তারিখ সকাল অনুমান ১০.০০ ঘটিকার সময় নারায়ণগঞ্জ কোর্টে গেলে সেখানে বিবাদী জাকির সহ তাহার অজ্ঞাতনামা ২/৩ জন সহযোগী আমাকে জোর পূর্বক খুলনা তাহার চাচাতো ভাইয়ের বাসায় নিয়া যায়। খুলনায় ০৪ দিন থাকার পর আমাকে ঢাকার সাভারে হেমায়েতপুর নিয়া যায়।

সেখানে বিবাদী আমাকে আমার স্বামীকে তালাক প্রদানের জন্য চাপ প্রয়োগ করিলে আমি তাহার কথায় রাজী না হওয়ায় উক্ত বিবাদী আমার ছেলে সন্তানকে হত্যার হুমকি প্রদান করে। তখন আমি আমার ছেলের জীবন রক্ষার্থে বর্ণিত বিবাদীর কথায় রাজী হইলে সে আমাকে ইং ১৫/০৫/২০১৭ তারিখ চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিষ্ট্রেট আদালত, ঢাকায় কোর্ট ম্যারেজ করে। বিবাহের পর জানিতে পারি যে, বর্ণিত বিবাদী একজন পুলিশের সোর্স। বিবাহের পর বর্ণিত বিবাদী আমাকে ঢাকার কামরাঙ্গির চর এলাকায় বাসা ভাড়া নিয়া রাখে। সেখানে নিয়া নারায়ণগঞ্জের ডিবির দারোগা সেলিম, ফতুল্লা থানার দারোগা মিজান, শাফীউল, কামরুলগণদের সহিত প্রেমের সম্পর্ক করিয়া তাহাদের ফাসানো জন্য চাপ প্রয়োগ করে।

আমি তাহাকে এইরূপ কর্মকান্ডের কারন কি তাহা জিজ্ঞাসা করিলে সে জানায় যে, তুমি এই কাজ করিলে আমি তাহাদের নিকট হইতে মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নিতে পারিব। আমি তাহার কথায় রাজী না হইলে সে আমাকে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করিতে থাকে। আমি বিবাদীর অত্যাচার সহ্য করিতে না পারিয়া বাধ্য হইয়া বর্ণিত বিবাদীকে ইং ৩১/১২/২০১৭ তারিখ তালাক প্রদান করি। অতঃপর আমি পুনরায় আমার পূর্বের স্বামী হেলালের বাসায় যাই। সেখানে সাক্ষী ১। শ্বাশুড়ী মোসাঃ সাহিদা বেগম (৬০), স্বামী- মৃত আসাদ মোল্লা, সাং- দাপা ইদ্রাকপুর খোজ পাড়া বউ বাজার (সরদার বাড়ী মসজিদের পাশে),

২। মোজাল (৬০), পিতা- মৃত রুস্তম আলী, সাং- দাপা ইদ্রাকপুর খোঁজপাড়া বউ বাজার, ৩। আনোয়ার হোসেন (৪৫), পিতা- মৃত জালাল আমিন, সাং- দাপা ইদ্রাকপুর পাইলট স্কুল সংলগ্ন, সর্ব থানা- ফতুল্লা, জেলা- নারায়ণগঞ্জগণ সহ ননাশের স্বামী মতি মিয়ার উপস্থিতিতে স্থানীয় সরদার বাড়ী মাদ্রাসার মুফতি হুজুর ইসলামী শরিয়ত মোতাবেক পুনরায় হেলালের সহিত আমাকে বিবাহের কলেমা পড়ান। বিবাহের পর আমার শ্বাশুড়ী মোসাঃ সাহিদা বেগম আমাকে জানান যে, তোমার পূর্বের স্বামীকে তালাক প্রদানের সময় ০৩ মাস অতিবাহিত না হওয়া পর্যন্ত স্বামীর সহিত থাকা যাইবে না। তুমি এই ০৩ মাস নিজের বাড়ীতে গিয়া থাক।

তখন আমার শ্বাশুড়ীর সহায়তায় আমি ভোলা জেলার লালমোহন থানার ফরাজগঞ্জ সাকিনস্থ আমার পিত্রালয়ে চলিয়া যাই। গত কয়েকদিন পূর্বে আমি লোক মুখে জানিতে পারি যে, উক্ত বিবাদী আমার সহিত ফতুল্লা থানার দারোগা সাইফুরকে জড়াইয়া প্রেমের গল্প বানাইয়া বিভিন্ন কুরুচিপূর্ণ সংবাদ পেপার পত্রিকায় প্রকাশ করিয়াছে। গত ইং ২৩/০২/২০১৮ তারিখ সকাল অনুমান ১০.০০ ঘটিকার সময় উক্ত বিবাদী জাকির সহ তাহার সঙ্গীয় অজ্ঞাতনামা ২/৩ জন আমাকে দারোগা সাইফুরের বিরুদ্ধে অভিযোগ করার জন্য চাপ প্রয়োগ করে।

আমি সাইফুর নামে কোন দারোগাকে চিনিনা বলিয়া জানাই এবং তাহার কথায় প্রতিবাদ করি। উক্ত বিবাদীর কথামত কাজ না করিলে সে আমাকে ও আমার উক্ত সন্তানকে হত্যা ও গুমের হুমকি প্রদান করে। বর্তমানে আমি ও আমার ছেলে সন্তান ভীত সন্ত্রস্ত হইয়া জীবন যাপন করিতেছি। এমতাবস্থায় বর্ণিত বিষটি তদন্ত পূর্বক বর্ণিত বিবাদী সহ তাহার সঙ্গীয় অজ্ঞাতনামা ২/৩ জনের বিরুদ্ধে আইগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা প্রয়োজন।

অতএব, উপরোক্ত বিষয়টি সাধারণ ডায়েরীভূক্ত করিয়া আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করিতে আপনার মর্জি হয়।

দৈনিক কালের খবর নিয়মিত পড়ুন এবং বিজ্ঞাপন দিন..

কালের খবর মিডিয়া গ্রুপ লিমিটেডের একটি প্রতিষ্ঠান
Desing & Developed BY ThemesBazar.Com