সোমবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৬, ০৭:৪৯ পূর্বাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম :
স্বনির্ভরতার অর্থনীতি : শহীদ জিয়াউর রহমানের উন্নয়ন দর্শন ও আজকের বাংলাদেশ। কালের খবর ভাসমান শীতার্ত মানুষদের মাঝে কম্বল বিতরণ করে উষ্ণতার আবেগ ছড়ায় ঐতিহ্যবাহী “রায়পুরা প্রেস ক্লাব” সদস্যরা। কালের খবর পাহাড়ি আঙিনায় হৃদয়ের মিতালি : হোম-স্টে পর্যটন ও আমাদের আগামীর পথনকশা। কালের খবর মাটিরাঙ্গায় পাঁচ শতাধিক জাপা-এনসিপি নেতাকর্মীর বিএনপিতে যোগদান। কালের খবর বেগম খালেদা জিয়া গণতন্ত্রের প্রশ্নে কখনো আপোষ করেননি : ওয়াদুদ ভুইয়া। কালের খবর চট্টগ্রাম–১৪ আসনে বিএনপির মনোনয়ন দৌড়ে আলহাজ্ব এজাজ আহম্মেদ চৌধুরী আরজু। কালের খবর বাঙালি ছাড়া সিএইচটি রক্ষা করা অসম্ভব ছিল : ড. আমিনুল করিম। কালের খবর মাটির মায়ায় বাঁধা এক অদম্য ঠিকানা : বেগম খালেদা জিয়ার সেই অমর উচ্চারণের ব্যবচ্ছেদ। কালের খবর সাইনবোর্ডে ক্রমেই ভয়ঙ্কর হয়ে উঠছে আওয়ামী দোসর, ছিনতাইকারী-চাঁদাবাজ ও শীর্ষ মাদক সম্রাট সোহাগ-রুবেল-পলাশ চক্র। কালের খবর রায়পুরার গুচ্ছগ্রামে যৌন ও মাদক ব্যবসার মহাৎসব : সংবাদ প্রকাশের জেরে সাংবাদিককে সন্ত্রাসী দিয়ে হুমকি-এলাকাজুড়ে তীব্র ক্ষোভ। কালের খবর
বেগমকে ঘর দেয়ার আশ্বাস। কালের খবর

বেগমকে ঘর দেয়ার আশ্বাস। কালের খবর

মোঃ মুন্না হুসাইন তাড়াশ (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধি, কাের খবর : দিনের বেলায় থাকেন ঢোপ ঘরে। রাতে ঘুমাতে যান অন্যের বাড়িতে। তার বাবার বাড়ি ছিলোনা, স্বামীরও বাড়ি নেই। নিজের কোন ঘর নাই সহায় সম্বলহীন ৬২ বছর বয়সী মোছাঃ বেগমের। তিনি প্রধানমন্ত্রীর উপহারের একটি ঘরের জন্য আকূল আবেদন করেছেন।
বেগমের স্বামী মোজাহার ছিলেন তাড়াশের নওগাঁ ইউনিয়নের নওগাঁ গ্রামের বাসিন্দা। তিনি অনেক বছর আগেই মারা গেছেন। সেই থেকে বেগম নওগাঁ হাট এলাকার এ বাড়ি-ও বাড়ি থাকছেন।
বেগম এ প্রতিবেদককে বলেছেন, তার সারাটা জীবন অন্য মানুষজনের বাড়িতে থেকেই কেটে গেল। যার সাথে বিয়ে হয়, সেও ছিলো অতি দরিদ্র ভূমিহীন। তার স্বামী বছর মেয়াদে যে সব গেরস্তের বাড়িতে মজুরের কাজ করতেন, সেই বাড়িতে তিনিও কাজের মানুষ হিসেবে থাকতেন। এভাবে কেটে গেছে তার সেকাল। আর এখনো তার দিন কাটে অন্যের ঢোপ ঘরে থেকেই।
বেগম আরো বলেন, দুবছর ধরে তিনি ঢোপ ঘরে থাকছেন। এখানে ঝড় বৃষ্টিতে ভীষণ কষ্ট হয়। বৃষ্টি হলে ঢোপ ঘরের চারপাশে পানি জমে জলাবদ্ধ হয়ে থাকে। আর ঝড়ের সময় মনে হয়, ঢোপ ঘরের সাথে যেন তাকেও উড়িয়ে নিয়ে যাবে। ঢোপ ঘরটি একেবারে উন্মুক্ত স্থানে বসানো রয়েছে। ফলে শীতের তীব্রতাও তাকে সইতে হয়।এদিকে শনেকা খাতুন নামে একজন গৃহবধূ জানিয়েছেন, বেগম রাতে তার বাড়িতেই থাকেন। বেগমের খোঁজ বা কোন খবর নেওয়ার মতো দুনিয়াতে কেউ নাই। তিনি মানুষজনের কাছ থেকে হাত পেতে খান। তার এমন অসহায়ত্ব ও অবর্ণনীয় দুঃখ কষ্ট দেখে পরিচিত জনেরা দারুণ আপসোস করেন।
সরেজমিনে সোমবার সকালে দেখা গেছে, নওগাঁ এলাকার নওগাঁ শাহ শরীফ জিন্দানী (রহ:) মাজার মাঠের এক কোণায় বেগমের ঢোপ ঘর। সেখানে চারপাশে বৃষ্টির পানি জমে আছে। অনেকটা নির্বাক হয়ে ঢোপ ঘরের মধ্যে বসে আছেন বেগম। ঢোপ ঘরে পাতা তার একার সংসারে একটি পড়নের কাপর, পুঁতি বাতি ও ভাতের থালা ছাড়া তেমন কিছুই নেই। জানা গেছে, স্থানীয় রেজাউল করিম নামে এক যুবক ব্যবসা বাদ দিয়ে ঢোপ ঘরটি ফেলে রেখেছিলেন। তখন সেখানে বেগম আশ্রয় খুঁজে নেয়। তারপর থেকে ঐ যুবক মানবিক কারণে তাকে থাকতে দিয়েছেন। তাড়াশ
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মেজবাউল করিম বেগমকে প্রধানমন্ত্রীর উপহারের ঘর দেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন।

দৈনিক কালের খবর নিয়মিত পড়ুন এবং বিজ্ঞাপন দিন..

কালের খবর মিডিয়া গ্রুপ লিমিটেডের একটি প্রতিষ্ঠান
Desing & Developed BY ThemesBazar.Com