শনিবার, ২০ অগাস্ট ২০২২, ০১:৩৩ পূর্বাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম :
আগুন নেভানোর পর্যাপ্ত ব্যবস্থা নেই যশোরের অধিকাংশ হাসপাতাল ও ক্লিনিকে। কালের খবর তাড়াশ উপজেলায় আবারও ধুম পরেছে পাট ধোয়ার। কালের খবর তাড়াশ উপজেলায় মহেশরৌহালী সরকারী প্রাথমিক বিদ‍্যালয়ে দূরর্নীতির আভিযোগ উঠেছে। কালের খবর গ্রামবাসীর ধাওয়া খেয়ে পালালেন যৌণ হয়রানির অভিযোগে অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষক সবুর মাষ্টার। কালের খবর পদ্মা সেতুর প্রভাবে যশোরে বিমান যাত্রী কমেছে ৫০ শতাংশ। কালেন খবর জরাজীর্ণ ভবনে ঝুঁকিপূর্ণ পাঠদান, আট শত শিক্ষার্থীর জন্য ৫ শিক্ষক। কালের খবর বাঙালির হৃদয় থেকে বঙ্গবন্ধুর নাম কোন অপশক্তি মুছে ফেলতে পারবেনা : এম এ সালাম। কালের খবর সাভারে সাংবাদিককে হত্যা চেষ্টার প্রতিবাদে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল করেছেন সাংবাদিকরা। কালের খবর নেপালের কাঠমান্ডুতে আন্তর্জাতিক জলবায়ু সম্মেলনে যোগ দিলেন সাংবাদিক এম আই ফারুক আহমেদ। কালের খবর দিঘলিয়ার সেনহাটী মহা শ্মশান ঘাট রক্ষায় স্থানীয় এমপি’র পদক্ষেপ। কালের খবর
তাড়াশে সড়কের মেরামত কাজ বন্ধ, চরম দুর্ভোগে এলাকাবাসী। কালের খবরত

তাড়াশে সড়কের মেরামত কাজ বন্ধ, চরম দুর্ভোগে এলাকাবাসী। কালের খবরত

মোঃ মুন্না হুসাইন তাড়াশ (সিরাজগঞ্জ) কালের খবর : সিরাজগঞ্জের তাড়াশে স্থানীয় সরকার প্রকৌশলী অধিদপ্তরের (এলজিইডি) তাড়াশ-নওগাঁ আঞ্চলিক সড়কের মেরামত কাজ শুরু করার পর দীর্ঘ দুই বছরের অধিক সময় ধরে বন্ধ রয়েছে। এতে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন যাত্রী ও চালকরা।
তাড়াশ এলজিইডি অফিসের হিসাবরক্ষক রেজাউল করিম বলেছেন, টেন্ডারে ঠিকাদারী কাজ পেয়ে ঢাকাস্থ ডলি কনস্ট্রাক্সন লিমিটেড ২০১৮ সালের ১৫ নভেম্বর মাসে তাড়াশ-নওগাঁ আঞ্চলিক সড়কের খুটিগাছা মোড় থেকে নওগাঁ হাট পর্যন্ত ৯.০৯ কিলোমিটার সড়ক মেরামতের কাজ শুরু করেন। তখন শুধু সড়কের একপাশে এইজিং (৫% কাজ) করা হয়। বন্যা পূনর্বাসন প্রকল্পের আওতায় এ কাজের প্রাক্কলিত ব্যয় ধরা হয় ৭ কোটি ৩৩ লাখ ৬২ হাজার ৮শ ৭৩ টাকা। কিন্তু চুক্তি মূল্য ছিল ৫ কোটি ৫৩ লাখ ৮৬ হাজার ৬শ ৮৮ টাকার। ২০১৯ সালের সেপ্টেম্বর মাসের ১৪ তারিখ ছিল মেরামত কাজের শেষ দিন। তিনি এ কথাও বলেন, এলজিইডি অফিসে ঠিকাদারের নাম ও মোবাইল নাম্বার নেই।
সরেজমিনে দেখা গেছে, তাড়াশ-নওগাঁ আঞ্চলিক সড়কের প্রায় ১০ কিলোমিটার জুড়েই খানাখন্দ। এ সড়কের মহিষলুটি বাজারের পরের ৪ কিলোমিটার অত্যন্ত লাজুক। সড়কের ওপর বড় বড় গর্তে পানি জমে আছে। কোথায় আবার কর্দমাক্ত অবস্থা। এমন বেহাল সড়ক দিয়েই চলছে ট্রাক, মাইক্রো বাস, সিএনজি, ভটভটি ও ইজি বাইকসহ সব ধরনের যানবাহন।
মহিষলুটি এলাকার সাকুয়াদিঘী গ্রামের বাসিন্দা ও স্থানীয় সাংবাদিক আব্দুস সালাম বলেন, তাড়াশ-নওগাঁ আঞ্চলিক সড়কটির অনেক বেশি গুরুত্ব রয়েছে। এ সড়ক দিয়ে মহিষলুটি হয়ে মানুষজন দেশের বিভিন্ন প্রান্তে যাওয়া-আসা করেন। তাছাড়া তাড়াশ তথা পার্শ্ববর্তী রায়গঞ্জ থানা, সলঙ্গা থানা, উল্লাপাড়া থানা, শাহজাদপুর থানা, ভাঙ্গুড়া থানা, চাটমোহর থানা, গুরুদাসপুর থানা ও বড়াই গ্রাম থানাসহ আরো দূরদূরান্তের হাজার-হাজার মানুষের সমাগম ঘটে তাড়াশের সাপ্তাহিক নওগাঁ হাটে। কিন্তু এ সড়ক দিয়ে যাতায়াতের সময় তাদের যে দুর্ভোগ পোহাতে হয় তা অবর্ণনীয়।
রমজান আলী নামে একজন বলেন, তার ট্রাকে বেপারীরা নওগাঁ হাটে গরু বেঁচতে এসেছেন। কিন্তু সড়ক যেন মরণ ফাঁদে পরিণত হয়েছে। সড়কের এতটা বিধ্বস্ত অবস্থা আগে থেকে তার জানা থাকলে ভাড়ায় আসতেন না। এদিকে এলজিইডি অফিসে ঠিকাদারে নাম ও মোবাইল নাম্বার না থাকায় তার বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি। এ প্রসঙ্গে উপজেলা প্রকৌশলী মো. আবু সায়েদ বলেন, বিধি মোতাবেক আগের টেন্ডার বাতিল করে তাড়াশ-নওগাঁ আঞ্চলিক সড়ক মেরামতের জন্য পূনরায় টেন্ডার প্রক্রিয়ার প্রস্তুতি চলছে।

দৈনিক কালের খবর নিয়মিত পড়ুন এবং বিজ্ঞাপন দিন..

কালের খবর মিডিয়া গ্রুপ লিমিটেডের একটি প্রতিষ্ঠান
Desing & Developed BY ThemesBazar.Com