শনিবার, ২০ অগাস্ট ২০২২, ০২:২৭ পূর্বাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম :
আগুন নেভানোর পর্যাপ্ত ব্যবস্থা নেই যশোরের অধিকাংশ হাসপাতাল ও ক্লিনিকে। কালের খবর তাড়াশ উপজেলায় আবারও ধুম পরেছে পাট ধোয়ার। কালের খবর তাড়াশ উপজেলায় মহেশরৌহালী সরকারী প্রাথমিক বিদ‍্যালয়ে দূরর্নীতির আভিযোগ উঠেছে। কালের খবর গ্রামবাসীর ধাওয়া খেয়ে পালালেন যৌণ হয়রানির অভিযোগে অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষক সবুর মাষ্টার। কালের খবর পদ্মা সেতুর প্রভাবে যশোরে বিমান যাত্রী কমেছে ৫০ শতাংশ। কালেন খবর জরাজীর্ণ ভবনে ঝুঁকিপূর্ণ পাঠদান, আট শত শিক্ষার্থীর জন্য ৫ শিক্ষক। কালের খবর বাঙালির হৃদয় থেকে বঙ্গবন্ধুর নাম কোন অপশক্তি মুছে ফেলতে পারবেনা : এম এ সালাম। কালের খবর সাভারে সাংবাদিককে হত্যা চেষ্টার প্রতিবাদে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল করেছেন সাংবাদিকরা। কালের খবর নেপালের কাঠমান্ডুতে আন্তর্জাতিক জলবায়ু সম্মেলনে যোগ দিলেন সাংবাদিক এম আই ফারুক আহমেদ। কালের খবর দিঘলিয়ার সেনহাটী মহা শ্মশান ঘাট রক্ষায় স্থানীয় এমপি’র পদক্ষেপ। কালের খবর
কুড়িগ্রামে কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনে আইনের চূড়ান্ত অনুমোদন। কালের খবর

কুড়িগ্রামে কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনে আইনের চূড়ান্ত অনুমোদন। কালের খবর

কুড়িগ্রাম জেলা প্রতিনিধি, কালের খবর :
কুড়িগ্রামে কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনে আইনের খসড়ার চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে সরকার।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে মঙ্গলবার (৯ মার্চ) ভার্চ্যুয়াল মন্ত্রিসভা বৈঠকে ‘কুড়িগ্রাম কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০২১’ এর খসড়ার অনুমোদন দেওয়া হয়।

বৈঠক শেষে সচিবালয়ে ব্রিফিংয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম জানান, এর আগে মন্ত্রিসভা থেকে প্রাথমিকভাবে কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনে অনুমোদন দেওয়া হয়েছিল। তারপর ভেটিং শেষে আবার নিয়ে আসা হয়েছে এবং আজকে যার চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

তিনি জানান, অন্যান্য কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের আইনগুলোকে অনুসরণ করে নতুন এ আইন করা হচ্ছে। নতুন এ বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন হলে দেশে সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় হবে ৪৬টি, আর বর্তমানে ১০৭টি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুমোদন রয়েছে।

বর্তমানে বাংলাদেশে সাতটি কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় চালু আছে।

কুড়িগ্রামে একটি কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের জন্য গত বছরের ২১ ডিসেম্বর এ সংক্রান্ত আইনের নীতিগত অনুমোদন দিয়েছিল মন্ত্রিসভা।

খসড়া আইনটি আইন মন্ত্রণালয়ের যাচাই-বাছাই শেষে এর চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হলো।
এ আইনের নীতিগত অনুমোদন দেওয়ার দিন মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেছিলেন, কৃড়িগ্রাম এক সময় মঙ্গাপীড়িত ছিল, সেখানে যদি এ ধরনের বিশ্ববিদ্যালয় হয় তবে গবেষণা হবে, ফার্মিং হবে। এর মধ্যে দিয়ে তাদের অবস্থার আরও উত্তরণ হবে।

“কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে গবেষণা ও ফার্মিংয়ের মাধ্যমে যে টেকনোলজি ডেভেলপ হবে তা কুড়িগ্রাম, নীলফামারী, লালমনিরহাটে বিস্তৃত হলে ওই লোকজন ফার্মিংয়ের মাধ্যমে ভুট্টা, শাক-সব্জি, মিষ্টি আলু ও মিষ্টি কুমড়া, মাছ উৎপাদনের মাধ্যমে তাদের অবস্থার আরও উন্নত করতে পারবে। ”

কুড়িগ্রামে এ বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্য নিয়ে সেদিন মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেছিলেন, “ওই এলাকার লোকজনের কৃষি ও সার্বিক অর্থনীতির উন্নয়ন করার লক্ষ্য নিয়ে সেখানে এ বিশ্ববিদ্যালয় করা হচ্ছে। ”

দৈনিক কালের খবর নিয়মিত পড়ুন এবং বিজ্ঞাপন দিন..

কালের খবর মিডিয়া গ্রুপ লিমিটেডের একটি প্রতিষ্ঠান
Desing & Developed BY ThemesBazar.Com