রবিবার, ০৪ ডিসেম্বর ২০২২, ০১:০০ পূর্বাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম :
সখীপুরে হায়দার মাস্টার স্মৃতি ফুটবল টুর্নান্টের ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত। কালের খবর যশোরে সন্তানের বায়না পূরণই কাল হলো তহমিনার, স্বামী-সন্তান হারিয়ে নির্বাক। কালের খবর নবীনগরে ২০০ শত বছরের কবরস্থান রক্ষায় গ্রামবাসীর মানববন্ধন। কালের খবর চট্রগ্রামের আলোচিত হত্যা কান্ডের আয়াতের দেহের দুই টুকরার খোঁজ মিলেছে সাগরপাড়ে। কালের খবর মণিরামপুরে কাভার্ড ভ্যানের চাপায় পিতা পুত্রসহ নিহত ৫। কালের খবর সখীপুরে নাশকতা চেষ্টা মামলায় বিএনপির ৪ নেতা গ্রেপ্তার। কালের খবর সখীপুরে ফাঁসিতে ঝুঁলে যুবকের আত্মহত্যা। কালের খবর ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি নোমানী, সম্পাদক সোহেল। কালের খবর রবীন্দ্র কাছারি বাড়িই হবে রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের সংস্কৃতি চর্চার অনন্য ক্ষেত্র- সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী। কালের খবর ভোলার ভূমিহীন নেত্রী বকুলকে কুপিয়ে নৃশংস হত্যা ও বড় বোন মুকুল বেগম জখমে ক্ষত-বিক্ষত। কালের খবর
প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে বিশিষ্টজনদের শুভেচ্ছা বাণী। কালের খবর

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে বিশিষ্টজনদের শুভেচ্ছা বাণী। কালের খবর

কালের খবর ডেস্ক :

যুগান্তর মানুষের প্রত্যাশা পূরণে অনেকটাই সফল

এম এম শহিদুল হাসান  :

একুশ শতকে সমাজ পরিবর্তন, অর্থনৈতিক উন্নয়নে গণমাধ্যম বিশেষ করে প্রিন্ট মিডিয়া গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। বাংলাদেশের সংবাদপত্রের ইতিবাচক পরিবর্তনটি আমি লক্ষ করেছি। যুগান্তর সেক্ষেত্রে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছে। আমার মনে হয়, যুগান্তর মানুষের প্রত্যাশা পূরণে অনেকটাই সফল হয়েছে। পত্রিকাটি আরও অনেক দূর এগিয়ে যাবে এটাই আমার প্রত্যাশা। ২০ বছর পদার্পণ উপলক্ষে এ পত্রিকার সঙ্গে জড়িত সবাইকে অভিনন্দন জানাই।

এম এম শহিদুল হাসান : উপাচার্য, ইস্ট ওয়েস্ট ইউনিভার্সিটি

জনগণের পক্ষে ভূমিকাই যুগান্তরের মূল শক্তি

ড. আবদুল মান্নান চৌধুরী

যুগান্তরকে সচেতনভাবে ঊনিশ বছর ধরে দেখে আসছি। আমি যুগান্তরের একজন নিয়মিত পাঠক। আমার প্রিয় দৈনিক বিশ বছরে পদার্পণ করেছে। এ শুভক্ষণে যুগান্তরকে জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা। আমার এ শুভেচ্ছা শুধু শুভেচ্ছার জন্য নয়। এ পর্যন্ত যুগান্তর যে ভূমিকা পালন করেছে, বাংলাদেশের সাংবাদিকতার ইতিহাসে তা অক্ষয় হয়ে থাকবে। আমি যুগান্তরকে দেখি মুক্তিযুদ্ধের চেতনার সপক্ষের একটি কাগজ হিসেবে। জাতীয় উন্নয়ন ও অগ্রগতির জন্য যুগান্তর যে ভূমিকা পালন করে থাকে সেটি অত্যন্ত প্রশংসনীয়। পত্রিকাটি যেসব প্রবন্ধ-নিবন্ধ ও মতামত ছাপায় তা একদিকে জ্ঞানের ক্ষুধা মেটায়, আরেক দিকে দেশ, জাতি ও জনগণের মনের কথা উঠে আসে। যুগান্তরকে তার এ ধারা অবশ্যই বজায় রাখতে হবে। জনগণের পক্ষের ভূমিকাই যুগান্তরের এগিয়ে যাওয়ার মূল শক্তি। আমি যুগান্তরের নিরন্তর সফলতা কামনা করি।

অধ্যাপক ড. আবদুল মান্নান চৌধুরী : উপাচার্য, ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি

যুগান্তর একটি সাহসী পত্রিকা

ড. সহিদ আখতার

যুগান্তর ২০ বছরে পদার্পণ করেছে, এটা অত্যন্ত আনন্দের একটি বিষয়। যুগান্তরকে সবসময় একটি সাহসী পত্রিকা হিসেবেই আমরা জেনেছি। সমাজের উন্নয়নে, ইতিবাচক পরিবর্তনে, সত্য প্রকাশে ও বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতায় এ পত্রিকাটি সবসময় অনন্য। দুর্নীতিসহ সমাজের নানা অসঙ্গতির বিরুদ্ধে যুগান্তরের শক্ত অবস্থান পাঠক মহলে সর্বদা সমাদৃত হয়েছে। পত্রিকাটির বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশন সবসময় আমাকে আকৃষ্ট করে। আমি যুগান্তরের একজন নিয়মিত পাঠক। যুগান্তর নির্ভীক সাংবাদিকতার মাধ্যমে বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশনের ধারা অব্যাহত রাখবে- প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে সেটাই প্রত্যাশা।

অধ্যাপক ড. সহিদ আখতার : উপাচার্য, ইস্টার্ন ইউনিভার্সিটি

যুগান্তর নিরপেক্ষ সংবাদ পরিবেশন করে আসছে

ড. আবু ইউসুফ মোহাম্মদ আবদুল্লাহ

যুগান্তর একটি শীর্ষস্থানীয় ও প্রভাবশালী পত্রিকা। শুধু আমি নই, সেনসেটিভ পাঠকরাও একই বিশ্বাস করেন বলে জানি। ব্যক্তিগতভাবে আমি ও আমার পরিবার গত ১০ থেকে ১২ বছর ধরে যুগান্তরের সঙ্গে যুক্ত। এর কারণ হচ্ছে এটি নির্ভীক, নিরপেক্ষ ও সর্বস্তরের সংবাদ পরিবেশন করে আসছে। দেশ-বিদেশের সর্বশেষ খবর আমরা এ পত্রিকার মাধ্যমে জানতে পারি। বিগত ১৯ বছর নিরপেক্ষ ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশন করায় যুগান্তরকে অন্তরের অন্তঃস্থল থেকে অভিনন্দন জানাই। আগামীতেও এ ধারা অব্যাহত থাকবে, এটাই আমার প্রত্যাশা।

অধ্যাপক ড. আবু ইউসুফ মোহাম্মদ আবদুল্লাহ : উপাচার্য, নর্দার্ন ইউনিভার্সিটি অব বিজনেস অ্যান্ড টেকনোলজি খুলনা

জাতীয় স্বার্থকে প্রাধান্য দেয় যুগান্তর

ড. নজরুল ইসলাম

যুগান্তর আমার প্রিয় পত্রিকাগুলোর অন্যতম। এর একমাত্র কারণ হচ্ছে, আমি যে খবর চাই এবং অন্য পত্রিকায় পাই না, সেটা শুধু যুগান্তরই প্রকাশ করে থাকে। সমসাময়িক ইস্যুতে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক বিষয়ের খবরের জন্য আমি যুগান্তর পড়ি। যুগান্তর জাতীয় স্বার্থ সামনে রেখে দেশ-জাতির জন্য যা ইতিবাচক সেই সংবাদটি প্রকাশ করে। যুগান্তরের সবচেয়ে ইতিবাচক দিক হচ্ছে, নেতিবাচক দিকটিও ইতিবাচকভাবে তুলে ধরে দেশ ও প্রতিষ্ঠানের নীতিনির্ধারকদের গাইডলাইন দেয়া, যার মাধ্যমে সার্বিকভাবে জাতি ও প্রতিষ্ঠান উপকৃত হয়। যুগান্তরের এ ভূমিকা আগামী দিনেও অব্যাহত থাকবে বলে আমি প্রত্যাশা করি। আমি যুগান্তরের উত্তরোত্তর সাফল্য কামনা করি।

অধ্যাপক ড. নজরুল ইসলাম : উপ-উপাচার্য, কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটি

যুগান্তর এগিয়ে যাক যুগ যুগ ধরে

মো. এহসান খসরু

যুগান্তরের সাহসী অগ্রযাত্রার দুই দশকে পদ্মা ব্যাংকের পক্ষ থেকে প্রাণঢালা শুভেচ্ছা জানাচ্ছি। শত সহস্র বছর সাধারণ মানুষ ও সুশাসনের কথা বলে যাবে যুগান্তর, সেই প্রত্যাশা করি। যুগান্তর এগিয়ে যাক যুগ যুগ ধরে।

মো. এহসান খসরু : এমডি ও সিইও, পদ্মা ব্যাংক

সত্য, সুন্দর ও কল্যাণের পথে যুগান্তর

ড. আবদুর রাজ্জাক আকন্দ

বাংলাদেশের প্রথম সারির শীর্ষস্থানীয় পত্রিকা যুগান্তর। এটি আমার পছন্দের অন্যতম পত্রিকা। দেশের রাজনীতি, অর্থনীতি, সমাজ-সংস্কৃতিসহ সার্বিক বিষয়ে সর্বশেষ তথ্যের জন্য আমি সকালে উঠে প্রথমে যুগান্তর পড়ি। এটা এজন্য নয় যে, যুগান্তরের প্রতি আমার কোনো অন্ধ আবেগ ও ভালোবাসা আছে। এর একমাত্র কারণ হচ্ছে, নিরপেক্ষতা, স্বচ্ছতা ও বস্তুনিষ্ঠতার সঙ্গে এ দৈনিকটি সমসাময়িক ইস্যুর ওপর প্রতিবেদন প্রকাশ করে থাকে। মুক্তিযুদ্ধের চেতনা লালন এবং মুক্তিযুদ্ধের পক্ষ শক্তির সঙ্গে থেকে দেশগড়ার ব্যাপারে অন্যতম ভূমিকা পালন করছে যুগান্তর। এ অবস্থান আমাদের উৎসাহিত করে। আমি আশা করব, দেশের কল্যাণে নিরপেক্ষতা বজায় রেখে যুগান্তর আগামী দিনগুলোতেও স্বমহিমায় উদ্ভাসিত থাকবে। সত্য, সুন্দর ও কল্যাণের পথে যুগান্তরের অভিযাত্রা অব্যাহত থাকুক।

অধ্যাপক ড. আবদুর রাজ্জাক আকন্দ : উপ-উপাচার্য, সোনারগাঁও ইউনিভার্সিটি

যুগান্তরে চলমান ঘটনার পরিপূর্ণ চিত্র খুঁজে পাওয়া যায়

খান মাহবুব

বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশনার কারণেই যুগান্তর পাঠকের এত প্রিয় পত্রিকা। এ পত্রিকার অনুসন্ধানী প্রতিবেদনগুলো আমার ভালো লাগে। এসব প্রতিবেদনে প্রতিবেদকদের পেশাদারিত্বের ছাপ বিশেষভাবে লক্ষ করা যায়। এ পত্রিকার মফস্বল পাতাগুলো বেশ সমৃদ্ধ। এসব পাতার প্রতিবেদনগুলো পড়ে সারা দেশের চলমান ঘটনাগুলোর একটি পরিপূর্ণ চিত্র খুঁজে পাওয়া যায়। পত্রিকাটি সংবাদ পরিবেশনের পাশাপাশি সামাজিক দায়বদ্ধতার অংশ হিসেবে বিভিন্ন সামাজিক ইস্যুতে আরও কিছু করতে পারে।

খান মাহবুব : গবেষক ও প্রকাশক

দৈনিক কালের খবর নিয়মিত পড়ুন এবং বিজ্ঞাপন দিন..

কালের খবর মিডিয়া গ্রুপ লিমিটেডের একটি প্রতিষ্ঠান
Desing & Developed BY ThemesBazar.Com